This website is going through major modifications, intended towards betterment of the performance of this website. During this period you might experience abnormality in the website. This experience is temporary and shall be recovered soon.

জনদর্পন... জনতার প্ল্যাটফর্ম
Reach out to us

  +91 - 7005571681

আসছে বছর আবার হবে ।




এই খবরের কোনো ভিডিও নেই |

ফের দলত্যাগ মজলিশপুরে, ৩০টি পরিবারের ৯৬ জন ভোটার সিপিআই(এম) ছেড়ে বিজেপিতে

রাজনীতি / Political

Nov. 6, 2022, 7:38 p.m.


জনদর্পন প্রতিনিধি আগরতলা: রবিবার সন্ধ্যা আবারও একবার দুঃসংবাদ বয়ে নিয়ে এলো মজলিশপুরে সিপিআই(এম)দলের শিবিরে । সম্প্রতি স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে জনসভা সংগঠিত করার পর যেখানে বাম সমর্থকদের দলের নেতাদের কথায় আস্থা রাখার কথা ছিলো এর পরিবর্তে কিন্তু ঠিক উল্টোটা হলো মজলিশপুরে। এদিন সন্ধ্যায় ৩০টি পরিবারের ৯৬ জন ভোটার সিপিআইএম দলের সাথে সকল ধরণের সংশ্রব ত্যাগ করে নরেন্দ্র মোদীজি'র "সবকা সাথ সবকা বিকাশ" -এর উপর আস্থা রেখে বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরীর হাত ধরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। এদিনের যোগদান সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তথা মজলিশপুর কেন্দ্রের বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী বামেদের তীব্র সমালোচনা করে বলেন বর্তমান সময়ে রাজ্যের চলমান উন্নয়নমূলক জনহিতকর কাজ বামপন্থী ও তাদের সহযোগীদের সহ্য হচ্ছে না। এরা নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তাদের নতুন ছদ্মবেশী বন্ধুদের সাথে নিয়ে। এরা এখন বলে বেড়াচ্ছে রাজ্যে নাকি গনতন্ত্র নেই। অথচ বামেদের শাসনকালে গ্রামাঞ্চলে সিপিআইএম দলের ক্যাডারদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতা লোপ পেয়েছিলো। সিপিআই(এম) পার্টির আশ্রয়ে সর্বব্যাপী দুর্নীতি ও অপরাধচক্র জাঁকিয়ে বসেছিলো। সিপিআই(এম) ক্যাডারদের তোলাবাজির ভয়ে ত্রিপুরায় বহিঃরাজ্য থেকে এখানে কেউ বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাতেন না। রাজ্যের সাধারণ মানুষের পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ ছিলো বামফ্রন্ট সরকারের দেউলিয়াপনা। এক অকর্মণ্য প্রশাসন যন্ত্র বামফ্রন্ট সরকার বানিয়ে রেখেছিলো নিজেদের ক্যাডরদের কাজ পাইয়ে দেবার জন্য। দীর্ঘ বাম শাসনে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ দশা ছিলো। রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে দুর্নীতি ও অপরাধচক্র ত্রিপুরায় বীভৎস আকার ধারণ করেছিলো। জালিয়াতরা সবাই সিপিএম-এর নেতাদের আশ্রয়ে থেকে বজ্জাতি করে গেছে। সিপিএম ভালো করেই জানতো, ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে শুধু জনসমর্থনের জোরে তারা তা পারবে না, অতএব অন্য উপায়ের আশ্রয় নিতে হবে। সেই উপায় সিপিএম-এর কাছে ছিল প্রচণ্ড দমননীতি, বিশেষত গ্রামাঞ্চলে এবং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে প্রয়োজনে খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি করানো হতো। খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন এগুলি ওরা আগাম বলে বলে করতো। সিপিআই(এম) হচ্ছে পুরোপুরি এক অরাজক পাটি। এরা পঁচিশ বছর পৈশাচিক ভাবে সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন চালিয়ে গিয়েছে। এদের শাসনে নারীদের সম্মান ছিলো না। নারীদের খুন করে বীভৎসভাবে হত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে।সবচেয়ে দুঃখ জনক ঘটনা হচ্ছে, এই ধর্ষণের ঘটনাগুলির যাতে যথাযথ তদন্ত না হয় তার জন্য তাদের দলের উপরের স্তরের নেতাদের থেকে পর্যন্ত নানারকম ইঙ্গিত দেওয়া হতো। সাধারণ তুচ্ছ ঘটনা বলে এড়িয়ে যাওয়া হতো ধর্ষণ আর খুনের মতো ঘটনাকে। আজকে তার প্রদত্ত ভাষণে বামেদের বিরুদ্ধে খুবই আক্রমণাত্মক ছিলেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। আজকের যোগদান সভায় বিজেপি দলের পতাকা হাতে নিয়ে দলত্যাগীরা বলেন, তাঁরা স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রীর জনসেবামূলক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেছেন। তাঁরা দীর্ঘ বছর সিপিআই(এম) দলের সাথে যুক্ত ছিলেন কিন্তু পঁচিশ বছরে দল তাদের জন্য কোনো কিছুই করেনি। বর্তমানে যিনি এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তাঁর প্রতি তাঁদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আজকের এই যোগদান সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মজলিশপুরের মন্ডল সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক,প্রভারী তাপস দাস সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্বরা।



Contact Us
Phone: +91-8794840801/7005571681
Email: janadarpannews@gmail.com

© Copyright, 2021-22 janadarpan.com. All Rights Reserved. Developed and Maintained by Chevichef Private Limited.

Images published in the Image Gallery are subjected to Copyright of the photographer under The Copyright Act, 1957 of the Republic of India. Any unauthorized use of any image is prohibited.