September 20, 2020

Janadarpan

জনদর্পণ জনতার– প্ল্যাটফর্ম

ডিড রাইটার এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

1 min read

বিশালগড় প্রতিনিধি :- মানব জীবনে বেঁচে থাকার জন্য মানুষের সবথেকে বড় সম্বল তার নিজস্ব একটা বাড়ি। কারণ নিজস্ব বাড়ি ছাড়া কোন ব্যক্তি বেঁচে থাকাটা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। সে সুবাদে মানুষ বেঁচে থাকতে গেলে কিছু একটা জমি ক্রয় করতে লাগে আর সেই জমি ক্রয় করে রেজিস্টার করার জন্য এবং পর্চা তৈরি করার জন্য যেতে হয় বিভিন্ন রকম ডিড রাইটার এর কাছে। কারণ তাদেরকে ছাড়া কোনরকম কাউলা বা পর্চা তৈরি করাটা মানুষ মতে একা সম্ভব নয়।তাই যখন কোন কিছু জমি ক্রয় করা বা বিক্রি করা বা নিজেদের মধ্যে থেকে সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করা প্রয়োজন তখনই সাধারণ জনগণ ডিড রাইটার এর কাছে যেতে হয়। আর ডিড রাইটার এর কাছে যাওয়ার পরেই একশ্রেণীর লম্পট ধোকাবাজ ডিড রাইটার মানুষকে চুষে নেওয়ার ফন্দি তৈরি করে ফেলে। তাদের জন্যই সমাজে ভালো ডিড রাইটারা মুখ দেখাতে পারেন না। এমনই এক ডিড রাইটার মো:কামাল হোসেন পিতা:- আমির হোসেন বাড়ি-বিশালগড়, কদমতলি ,বিরুদ্ধে প্রতারণা করার অভিযোগ এনে বিশালগড় মহকুমার শাসক দ্বারস্থ হলেন বিশালগড়, নাড়া উড়া বাসিন্দা সুমন ভৌমিক পিতা-মৃত রতনলাল ভৌমিক। ঘটনার বিবরণে জানা যায়। আজ থেকে প্রায় তিন বছর পূর্বে নারাউড়া বাসিন্দা রতনলাল ভৌমিক মারা যান। তারপর উনার দুই পুত্র এবং এক কন্যার সন্তানের মধ্যে সম্পত্তি বাটোয়ারা ও বন্টন নামা করার প্রস্তুতি নেন উনার পরিবার। সে অনুসারে বিশালগড় ডিড রাইটার মোঃ কামাল হোসেন উনার বাড়ির বণ্টননামা এবং দলিল পর্চা করার জন্য উনার বাড়িতে হাজির হন। যখন উনাকে জিজ্ঞাসা করা হয় আপনি কি করে জানলেন বলেছে আমার সূত্র বলেছে আমাকে আপনার বাড়ির নাকি কিছু কাগজপত্র করতে হবে সে হিসেবে আপনার কাছে। তাই মৃত রতন লাল ভৌমিক এর বড় ছেলে সুমন ভৌমিক দিয়ে কাগজ করাবে বলে স্থির করেছিলেন। সে মোতাবেক 25/ 6 /2017 ইংরেজি তারিখে কাগজপত্র সম্পূর্ণভাবে করে দেবে তার জন্য তাকে 40 হাজার টাকা দিতে হবে বলে সে জানান। সে মোতাবেক সুমন ভৌমিক 26 /6/ 2017 তারিখে তাকে 20 হাজার টাকা অ্যাডভান্স করেন। এবং 18/7 /2017 তারিখে দলিল রেজিস্ট্রি বাকি 20 হাজার টাকা প্রদান করেন। প্রতারক মোঃ কামাল হোসেন দলিল রেজিস্ট্রির দিন সম্পন্ন টাকার পাওয়ার পরে সম্পূর্ণরূপে বদলে যায় শুরু হয় তার ছলচাতুরি এবং তার তাল বাহানা। পর্চা তৈরি করা তো দূর সেই ভৌমিক পরিবারের সাথে কথা বলতে প্রস্তুত না । এবং যাদের নামে ভূমির নামজারি ও মিউটেশন করা কথা তা কোনোভাবেই সম্পূন্ন করেন নি। ইভেন কি ওনার সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সে পালিয়ে যায়। যখন বিশালগড় ডিড রাইটার এসোসিয়েশন এর কাছে ওর ব্যাপারে জানতে চায়। তখন সে এই ভৌমিক পরিবারকে বিভিন্ন রকম ভাবে হুমকি দিতে থাকে। এবং সে বলে যে এই সুমন ভৌমিক পরিবারের অরিজিনাল বন্টননামা দলিল তাহার কাছে রেখে দেয় সেটি আর কখনও তাদেরকে ফেরত দেবে না এবং সেই বণ্টননামা টি তার নামে করে নেবে বল রাস্তায় সুমন ভৌমিককে হুমকি দিতে থাকে। বাধ্য হয়ে সুমন ভৌমিক প্রথমে বিশালগড় থানার দ্বারস্থ হন এবং বিশালগড় থানায় যখন ওর বিরুদ্ধে কমপ্লেইন করতে যান তখন বিশালগড় থানার সেকেন্ড ওসি বিমল বৈদ্য কমপ্লেইন রেজিস্টার করতে বিভিন্ন রকম বাহানা দেখাচ্ছেন। এবং উনাকে রিসিভ কপি দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে কাকুতি-মিনতি ও করেন। উনি রিসিভ দেননি বলেন যে এটার জন্য কোন রিসিভার প্রয়োজন নেই আমরা কামাল হোসেন কে ফোন করে বলে দেবো তোমার কাজ গুলি করে দেবে। বিশালগড় থানার সেকেন্ড ওসি ব্যবহার দেখে বাধ্য হয়ে সুমন ভৌমিক বিশালগড় মহাকুমার শাসকের নিকট উনার বাড়ির বণ্টননামা এবং অরিজিনাল দলিল পাওয়ার জন্য এবং এই প্রতারক এবং হুমকি মোহাম্মদ কামাল হোসেন থেকে বাঁচার জন্য দ্বারস্থ হলেন। আজ বিশালগড় মহকুমা শাসক জয়ন্ত ভট্টাচার্যী এই প্রতারক ডিড রাইটার কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার জন্য আদেশ জারি করেন। কিন্তু বিষয় হচ্ছে বিশালগড় থানা বাবুরা কেনই বা এই কমপ্লেইন রাখতে চাইলেন না কেনই লম্পট বাজদের হয় অভিযোগকারীকে ফিরিয়ে দেন ।এদিকে বিশালগড় থানার বড়বাবু ছুটিতে থাকার দরুন সেকেন্ড এসি বিমল বৈদ্যৈর নিকট নিকট পুনরায় মহকুমা শাসক থেকে চিঠি বিশালগড় মহকুমা পুলিশ হাত ধরে আসতে হলো সে লম্পটবাজ প্রতারক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়ার । এখন দেখার বিষয় প্রশাসন কতটুকু কটুর হয় এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.
You cannot copy content of this page