April 11, 2021

Janadarpan

জনদর্পণ জনতার– প্ল্যাটফর্ম

করোনা আভের মধ্যেই মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে শ্রমিকদের ভিনরাজ্যে পাঠাচ্ছে লেবার সাপ্লাইয়াররা

1 min read

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ : ভিনরাজ্যে শ্রমিক সরবরাহ করে ফায়দা লুটছে মালদহ জেলার শ্রমিক সরবরাহকারী পেশায় যুক্ত ব্যক্তিরা। মোটা বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভিনরাজ্যে নিয়ে যাওয়া হলেও অতিরিক্ত বেতন পাচ্ছেন না শ্রমিকরা। অভিযোগ উঠেছে, বেতন থেকে শ্রমিকদের বাসভাড়াও কেটে নেওয়া হচ্ছে। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ মালদহ থেকে ভিনরাজ্যে যাওয়া হাজার হাজার শ্রমিকের পরিবার। আগষ্ট মাসের শুরু থেকেই মালদহ জেলার শ্রমিকদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে য়াওয়া শুরু হয়েছে। বেশি বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে কারোর লালা পরীক্ষা না করেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে উড়িয়ে নিয়ে য়াওয়া হচ্ছে এই শ্রমিকদের। একাধিক কোম্পানি আবার বড় বাস রিজার্ভ করেও মালদহ থেকে শ্রমিকদের সরাসরি নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাচ্ছে। কালিয়াচকের তিনটি ব্লক থেকেই সবচেয়ে বেশি শ্রমিক এর মধ্যে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর। কোম্পানিগুলি শ্রমিক সরবরাহকারী ঠিকাদারদের মাধ্যমেই শ্রমিকদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। অল ইন্ডিয়া সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ ট্রেড ইউনিয়নের মালদহ জেলা সম্পাদক ইব্রাহিম শেখ জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কোনও সুনির্দিষ্ট শ্রমিক আইন নেই। তাই এই জেলার শ্রমিকরা ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে বঞ্চিত হয়। শ্রমিকদের টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে লেবার সাপ্লায়ার ও কমিশন এজেন্টরা। একই অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গ গৃহ নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের। সংগঠনের জেলা সম্পাদক সামসুদ্দিন শেখ বলেন, কমিশন এজেন্টরা অর্থের লোভে জেলার শ্রমিকদের কোনওরকম লালা পরীক্ষা না করেই ভিনরাজ্যে নিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাটি নিয়ে মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন জানান, চার মাস আগে লকডাউন শুরুর সময় শ্রমিকরা যখন বিপদে পড়েছিলেন, তখন তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে নানা কথা বলেছিলেন। সরকার সব সময় তাঁদের পাশেই ছিল, থাকবে এবং আছে। কিন্তু তাঁরা সরকারের নির্দেশিকা অমান্য করে গোপনে আবার ভিনরাজ্যে চলে গিয়েছেন। ফলে গোটা দেশেই করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারকে ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page